এইখানে একদিন হরিণ ছিলেন

কেন তোমার মনে নেই এই তো সেদিন কাগজে খবরে বেরিয়েছে “শেরপুরে শাল ও গজারি বনে জ্বলছে আগুন উজাড় হচ্ছে গাছ।” নিয়ত ধর্ষিত হচ্ছে গোরো হিলস। আগুন লাগছে।

আরো পডুন →

শ্যামলকান্তি রাক্ষস হতে চেয়েছিল

।। আর্যনীল মুখোপাধ্যায় ।। শ্রী শ্যামলকান্তি দাশ মহাশয়কে অবমাননার জন্য বাংলা কবিতা ‘সানডে টাইমস কলকাতা’কে সার্বিকভাবে বর্জনে প্রত্যয়ী আজ। শ্যামলকান্তি […]

আরো পডুন →

আমার একান্ত উহ্যনাম পণ্ডিত

সুকুমারকে সবাই চেনেন শিশুসাহিত্যিক হিসাবে, তার নাটক ছড়া রম্যরচনা প্রবন্ধ ছোটগল্প বেশিরভাগই শিশুদের জন্য লেখা অবশ্যই, কিন্তু সুকুমার আর যাই হোক, বেশিরভাগ শিশুসাহিত্যিকের মতো অ্যাপোলিটিক্যাল ছিলেন না কখনো।

আরো পডুন →

আমার এক নদীর জীবন (শেষ পর্ব)

এই পর্বে রয়েছে, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যু এবং ওই ঘটনার সমান্তরালে রওশন সালেহার স্বামীর মৃত্য, বৈধব্য পরবর্তী জীবনে নতুন করে লেখকের শিক্ষাক্ষেত্রে জীবন সংগ্রাম, কর্মজীবনে অবসর এবং নিজের জীবনের উপলব্ধি। এই পর্বের শেষের অংশেই রয়েছে পূর্ববর্তী সাতটি পর্বের লিঙ্ক। আপনারা চাইলে প্রথম থেকে প্রথম থেকে এই আত্মজৈবনিক কথাসাহিত্য পুরোটা পড়ে ফেলতে পারেন।

আরো পডুন →

নেকড়ে মায়ের খোঁজে: ‘মানবী-পশু’র শরীরভঙ্গি, অস্থিকাঠামো ও একটি তথ্যকবিতা প্রসঙ্গে

শুধু পশ্চিমই নয়, পৃথিবীর অন্যত্রও অনেক ভাষাদেশের কাব্যসাহিত্যে মেয়েদের লেখালিখির মধ্যে ‘শরীর’ আজ এক বিরাট সংজ্ঞা। ‘শরীর’ এক দেশ, জাতি, সম্প্রদায়, ভূগোল, ধারণা, সভ্যতা; ‘শরীর’ ভাষা, সাহিত্য, শিল্প, তত্ত্ব। ইংরেজীতে বলা হয় – a body of work। ‘শরীর’ সেই ‘বডি’ হয়ে উঠেছে। ভানু কপিল সেই আলোকেই ‘শরীর’কে দেখেন এক নিজস্বতায়।   

আরো পডুন →

বংশাই নদীর চক্র বাংলাদশের চাকদহ

।। জেসমিন নাহার ।। পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার  চাকদহ জনপদের গল্প জানা গেলেও টাঙ্গাইল জেলার সখীপুরের চাকদহের কেচ্ছা এখনও জানতে পারি […]

আরো পডুন →

‘গুরু’

।। ফরহাদ মজহার ।। ” শিক্ষিত মধ্যবিত্তশ্রেণী গুরু বলতে বোঝে যিনি গাঁজা খেয়ে ব্যোম ভোলানাথ হয়ে বসে থাকেন, আর তার […]

আরো পডুন →

আমার এক নদীর জীবন (সপ্তম পর্ব)

।। রওশন সালেহা।। রওশন সালেহার ‘আমার এক নদীর জীবন’ বাংলা আত্মজৈবনিক সাহিত্যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ অধীন অবিভক্ত বাংলা এবং […]

আরো পডুন →