কবিতা
চার কবির কবিতাগুচ্ছ
কাব্য
।। সোমনাথ রায় ।। পণ্ডিতের জ্ঞান ভুলে ধ্বনিসংকেতে চলে স্বরহলন্ত শব্দে ওই টান মারে মানুষের গানশ্যামের বাঁশিতে বাজে বিরহের পুরোনো
।। অগ্নি রায়।। তাকে ঘিরে ধরেছে পাড়ার সেই সত্তর দশকের পালানো যুবক, চাঁদ যার ছুরিতে শান দিত প্রথম রাতে। যাকে
।। প্রত্যুষ বন্দ্যোপাধ্যায়।। কানাগলির শেষ প্রান্তের অন্ধকার গ্রাস করেছে একটা শহর কেমন ছিল তার স্মৃতি এখন তো ছাই কিছুই চেনা
।। নীলাব্জ চক্রবর্তী ।। তোমার জন্যযে কবিতা খুব শ্লীল হয়েআরওফ্রেম নামের এই কুসুমখুলে ফেলবে কখনওদিনের যে গভীর অংশ কিছুটা খসখসেরঙ
।। জহির হাসান।। আমরা মুখর বালিহাঁস ঠিকঠাক হারায়ে যাবার আগে উড়তামবিভ্রান্তি এড়ায়ে আমন ধানের খেত পার হইপদ্মফোঁটা বিলে মানচিত্র আর
হিন্দুঘরে জন্ম আমার, গরুর মাংস চুলায় বসে না মায়ের হাতে শাখা সিঁদুর,
আজও সন্ধ্যা বলতে পাড়ার মোড়ে আজানডাক।
।। বিশেষ সংখ্যা। বসন্ত। ফাল্গুন, ১৪২৯। মার্চ, ২০২৩।।